বিসিএস ডাক: সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল

ক্যারিয়ার কন্টেন্ট - ক্যারিয়ারকী (CareerKi)

বিসিএস ডাক ক্যাডার একটি সাধারণ ক্যাডার এ ক্যাডারের কর্মকর্তাগণ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধিদপ্তর ‘বাংলাদেশ ডাক বিভাগ’ এ কাজ করেন।

সাধারণ পদবী:  সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল বা সমমানের পদ

বিভাগ:  ডাক

ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল টাইম

লেভেল: এন্ট্রি

অভিজ্ঞতা: পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। বিসিএস (ডাক) ক্যাডার হিসেবে উত্তীর্ণ হলে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৬ মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এছাড়া রাজশাহীতে পোস্টাল একাডেমীতে বিসিএস ক্যাডারদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

বেতন সীমা: জাতীয় বেতন স্কেলের নবম গ্রেড অনুযায়ী মূল বেতন ২২ হাজার টাকা। কর্মস্থল অনুযায়ী বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতা মিলিয়ে শুরুতে মাসিক বেতন ৩২-৩৭ হাজার টাকা।

বয়স সীমা:  বিসিএস সার্কুলার যে মাসে দেওয়া হবে সে মাসের প্রথম দিন একজন প্রার্থীর বয়স ২১-৩০ এর মধ্যে হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা সনদধারী ব্যক্তিদের সন্তান, পৌত্র-পৌত্রী ও স্বাস্থ্য ক্যাডারদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর। আদিবাসী প্রার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর  

মূল স্কিল : বাংলাদেশ ডাক বিভাগ ও ডাক সেবা সম্পর্কিত জ্ঞান, ডাক প্রশাসন পরিচালনার দক্ষতা

বিশেষ স্কিল:  সূক্ষ হিসাব নিকাশ ও পর্যবেক্ষণের দক্ষতা, পরিশ্রমী, নেতৃত্বের দক্ষতা

একজন সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান বা শিল্পে কাজ করেন?

একজন সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল বা পোস্ট মাস্টার জেনারেলের কার্যালয়ে কাজ করেন।

একজন সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল কী ধরনের কাজ করেন?

একজন সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেলের প্রধান দায়িত্ব ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেলকে সাহায্য করা। ডাক বিভাগের বিভিন্ন প্রশাসনিক নথিপত্র প্রস্তুত, যাচাই-বাছাই, বিভিন্ন ধরনের দরপত্র প্রস্তুত করতে সাহায্য করে থাকেন একজন সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল। এছাড়া উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ সাপেক্ষে অতিরিক্ত দায়িত্বও তাকে পালন করতে হয়।

একজন বিসিএস ডাক ক্যাডারের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?

বিসিএস ডাক ক্যাডার হতে চাইলে যে কোন বিষয়ে যে কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর ৪ বছর মেয়াদি শিক্ষা সমাপনি ডিগ্রি অথবা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে তবে শিক্ষা জীবনে একাধিক তৃতীয় শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ থাকলে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

একজন সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেলের কী কী দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

একজন সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেলকে অবশ্যই বাংলাদেশ ডাক বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম যেমন জীবন বীমা, মানি ট্রান্সফার, ই-সেবা, পার্সেল সার্ভিসের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে। ডাক বিভাগের বিভিন্ন নথি প্রস্তুত ও যাচাই বাছাই এ দক্ষ হতে হবে। বিসিএস ক্যাডার হিসেবে একজন সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেলকে হতে হবে পরিশ্রমী এবং যে কোন মুহূর্তে যে কোন সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

একজন সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেলের কাজের ক্ষেত্র ও সুযোগ কেমন?

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ এমন এক সেবা যার শাখা বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে রয়েছে তবে পদন্নোতির দীর্ঘসূত্রিতা এবং বিভিন্ন জটিলতায় ডাক বিভাগে অনেক পদ শূন্য আছে এজন্য ডাক ক্যাডার হিসেবে প্রতি বছর অনেক কম সংখ্যক নিয়োগ দেওয়া হয় ৩৭তম বিসিএস বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল/সমমানের ০৯ টি ও ৩৮ তম বিসিএস এ মাত্র ০৭ টি পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল অন্যান্য ক্যাডার সার্ভিসের মত মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে এ ক্যাডারের কর্মকর্তাগণ ডাক বিভাগের বাইরে সরকারের অন্য যে কোন প্রকল্প বা বিভাগে প্রেষণে কাজের সুযোগ পেয়ে থাকেন

একজন সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেলের মাসিক আয় কেমন?

কর্মজীবনের শুরুতে একজন ডাক ক্যাডার জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ এর গ্রেড ৯ অনুযায়ী কর্মস্থলভেদে ৩২-৩৭ হাজার টাকা মাসিক বেতন পান। এ গ্রেডে সর্বোচ্চ বেতন ৫৩ হাজার টাকা।

ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে একজন সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেলের?

একজন সহকারী পোস্টমাস্টার জেনারেল পদোন্নতি পেয়ে ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল হন। তিনি জেলা পর্যায়ে ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল কার্যালয়ের প্রধান। এর পর পদোন্নতি পেয়ে একজন বিসিএস ডাক ক্যাডার অতিরিক্ত পোস্টমাস্টার জেনারেল হন। অতিরিক্ত পোস্ট মাস্টার জেনারেল পোস্টমাস্টার জেনারেলের কার্যালয়ের অধীনে কর্মরত। এর পরের পদ পোস্টমাস্টার জেনারেল। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ৫ টি অঞ্চলে ৫ জন পোস্টমাস্টার জেনারেল কর্মরত রয়েছেন। এর পর অতিরিক্ত মহাপরিচালক হবার সুযোগ থাকে। অতিরিক্ত মহাপরিচালকের পদ মোট ৪ টি। পোস্টাল সার্ভিসে ক্যারিয়ারের শীর্ষে একজন বিসিএস ডাক ক্যাডার ডাক বিভাগের মহাপরিচালক হন। ডাক বিভাগের সব পদোন্নতি পদের প্রাপ্যতা সাপেক্ষ এবং পদোন্নতি পেতে হলে দক্ষতার সাথে সাথে অন্যান্য গুণাবলীর পরিচয় দিতে হয়।

 

কেন নেবেন ক্যারিয়ার টেস্ট?

  • সরাসরি ইন্টারভিউর কল পেতে
  • সরাসরি চাকরির পরীক্ষা দিতে
  • চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে
  • চাকরির জন্য দরকারি স্কিল অর্জন করতে
ক্যারিয়ার টেস্টে যান

Leave a Reply

আপনার নাম ও ইমেইল ঠিকানা দেয়া আবশ্যক। তবে মতামতের সাথে ইমেইল দেখানো হবে না।