স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ার

ক্যারিয়ার কন্টেন্ট - ক্যারিয়ারকী (CareerKi)

একজন স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ার স্পেস মিশন পরিকল্পনা, উন্নয়ন, স্যাটেলাইট ডিজাইন,অপারেশন এবং স্পেস কম্পোনেন্ট ডিজাইন করা, তৈরি করা, চালানো বা নির্মূল করার কাজ করে থাকেন। একজন স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারের স্যাটেলাইট বিল্ডার, অপারেটর এবং স্যাটেলাইট ডাটার ব্যবহারকারীদের সাথে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।

সাধারণ পদবী: স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ার

বিভাগ:  প্রকৌশল বিভাগ

প্রতিষ্ঠানের ধরন:  স্যাটেলাইট ডিজাইন,অপারেশন এবং স্পেস কম্পোনেন্ট ডিজাইন ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান

ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল টাইম

লেভেল:  মিড, টপ

অভিজ্ঞতা সীমা:  কাজের ধরন ও প্রতিষ্ঠান সাপেক্ষে

সম্ভাব্য বেতন সীমা: ৳৩০,০০০-৳৩৫,০০০  কাজের ধরন ও প্রতিষ্ঠান সাপেক্ষে

সম্ভাব্য বয়স সীমা: কাজের ধরন ও প্রতিষ্ঠান সাপেক্ষে

মূল স্কিD: স্যাটেলাইট ডিজাইন এবং স্পেস কম্পোনেন্ট ডিজাইন ,CAD, MATLAB

বিশেষ স্কিল: দূরবর্তী সেন্সিং, এবং পৃথিবী পর্যবেক্ষণ,উপগ্রহ যোগাযোগ, গ্লোবাল ন্যাভিগেশন সিস্টেম সম্পর্কে ভাল দক্ষতা

কোন ধরনের শিল্প বা সংস্থায় স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ার কাজ করে থাকেন?

  •                    বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান(স্পারসো)
  •                     বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
  •                     স্যাটেলাইট বিল্ডার, অপারেটর এবং স্যাটেলাইট ডেটার ব্যবহারকারী সংস্থা

একজন স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ার কী ধরনের কাজ করে থাকেন?

  •                     স্পেস মিশন পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন
  •                     স্যাটেলাইট ডিজাইন এবং স্পেস কম্পোনেন্ট ডিজাইন
  •                     স্যাটেলাইট অপারেশন
  •                     স্পেস প্রপালশন এবং ভিহিকেল ডিজাইন করা
  •                     স্পেস সহায়তা অবকাঠামোর ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালনা করা
  •                     স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, উপাদান ডিজাইন এবং তৈরী করন
  •                     স্যাটেলাইট তথ্য বিশ্লেষণ: দূরবর্তী সেন্সিং এবং পৃথিবী পর্যবেক্ষণ, উপগ্রহ যোগাযোগ, গ্লোবাল ন্যাভিগেশন সিস্টেম
  •                     স্পেস সংক্রান্ত স্নাতকোত্তর গবেষণা

কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয় একজন স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারের?

এই পেশায় কাজ করতে চাইলে স্যাটেলাইট  ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রি অগ্রাধিকারযোগ্য। তবে এছাড়াও প্রকৌশল বা বিজ্ঞানের অন্যান্য বিষয় থেকেও এই পেশায় আসা যায়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:

  •                     Aeronautical Engineering
  •                     Electrical and Electronics Engineering
  •                     Mechanical Engineering

কী ধরণের জ্ঞান ও দক্ষতা থাকতে হয় একজন স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারের?

  •                     দূরবর্তী সেন্সিং, এবং পৃথিবী পর্যবেক্ষণ, উপগ্রহ যোগাযোগ, গ্লোবাল ন্যাভিগেশন সিস্টেম সম্পর্কে ভাল দক্ষতা।
  •                     স্যাটেলাইট ডিজাইন এবং স্পেস কম্পোনেন্ট ডিজাইন এর দক্ষতা
  •                     স্যাটেলাইট তথ্য বিশ্লেষণের ক্ষমতা ও দক্ষতা
  •                     জটিল অপারেশনাল এবং মনিটরিং সিস্টেম বোঝার জন্য ভাল বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা
  •                     গণিত এবং জ্যামিতি সম্পর্কে ভালো জ্ঞান
  •                     বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দ্রুতগতির উন্নয়নের সাথে তাল মিলিয়ে চলার আগ্রহ ও যোগ্যতা

একজন  স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারের কাজের ক্ষেত্র ও সুযোগ কেমন?

আধুনিক বিজ্ঞানের এই যুগে এক নতুন ও সম্ভাবনাময় দিক হল স্যাটেলাইট গবেষণা।নতুন নতুন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনের মাধ্যমে বর্তমানে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে খুব দ্রুত ফলে এই পেশায় কাজের ক্ষেত্র ও সুযোগ উভয়েই দিন দিন বাড়ছে। এছাড়া এই বিষয়ে গবেষণার ভালো সুযোগ রয়েছে।

কোথায় শিখবেন স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারিং?

বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে।এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্যঃ

  •                    বুয়েট
  •                    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  •                    মিলিটারি ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি

একজন স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় কত?

সরকারি ক্ষেত্রে নবম গ্রেড অনুযায়ী ৳১৯,০০০-৳২২,৫০০ । বেসরকারি ক্ষেত্রে ট্রেইনি হিসেবে একজন ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় ৩০,০০০-৳৩৫,০০০  থেকে শুরু হতে পারে। অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে বেতন বেড়ে যায় বহুগুণ।

ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে একজন স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারের?

বর্তমানে বিশ্বের যোগাযোগ ব্যবস্থা এত উন্নত হওয়ার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারগণ।তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় এসেছে নতুন দিগন্ত বেড়েছে কর্মসংস্থান ও আয়।এটি একটি দ্রুত বর্ধমান ও জনপ্রিয় সেক্টর। একই সাথে এই বিষয়ে পড়াশোনা করে শিক্ষাদানকেও কর্মক্ষেত্র হিসেবে বেছে নেয়া যায়।বিজ্ঞানভিত্তিক বলে প্রচুর গবেষণার সুযোগ রয়েছে এখানে। সেই সাথে গবেষণার ভিত্তিতে কাজের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির সাথে সাথে কাজের সম্মানীও বেড়ে যায় বহুগুণ।

 

Leave a Reply

আপনার নাম ও ইমেইল ঠিকানা দেয়া আবশ্যক। তবে মতামতের সাথে ইমেইল দেখানো হবে না।